আজাদ হোসেন।
দর্শনায় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর কার্যালয়ে হামলা, ২৩ লাখ টাকা লুটের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে,
জেলার দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য মো: রাকিবুল হাসান ব্রাইটকে ও তাঁর পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। পতিত স্বৈরাচার ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দর্শনা পৌর শাখার ৪ নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দর্শনা রেল ইয়ার্ড এলাকায় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী ও আমদানি-রফতানিকারক রফিকুল ইসলামের বসতবাড়ি ও অফিসে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও নতুন করে সহিংসতা এড়াতে দর্শনা শহর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে দর্শনা থানায় রাকিবুল হাসান ব্রাইটকে প্রধান আসামী করে চাঁদাবাজি একটি মামলা দায়ের করে। যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দর্শনা থানা ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য মো: রাকিবুল হাসান ব্রাইট, দর্শনা পৌর বিএনপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হুমায়ুন এবং কলেজ ছাত্রদলের নেতা মোহাম্মদ আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাগর নামের এক যুবদল নেতাকে আটক করা হলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এভাবে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছে।
এ বিষয়ে রাকিবুল হাসান ব্রাইটের পিতা আব্দুল কুদ্দুস বিএনপি’র নেতা বলেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগে পতনের পর থেকেই দর্শনা পৌর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের জনপ্রিয়তা এবং রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি বিশেষ মহল অপতৎপরতায় মেতে উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন সুবিধাবাদী ব্যক্তি ও পতিত স্বৈরাচারী সরকারের দোসর নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের দর্শনা পৌরশাখার ৪ নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। ষড়যন্ত্র চালিয়ে মনগড়া একটি ঘটনাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেছে। আমার ছেলের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে এই মামলা দিয়েছে। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’-এই নীতি আমার ছেলে ধারণ করে। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে সাজানো মামলা দেওয়া হয়েছে।
দর্শনা রেল ইয়ার্ডের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলেই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হবে বলে আব্দুল কুদ্দুস উল্লেখ করেন। এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জোরালো দাবি জানান। একই সঙ্গে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার এর পেছনে জড়িত ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।