কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে হয়েছেন পাহাড়ি জনপদের শীর্ষ ধনী।
৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সাল থেকে মৃদুময় চাকমা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (EED) কক্সবাজার জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর বিরুদ্ধে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং চট্টগ্রামে ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে। রয়েছে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেন্ডার বাণিজ্য, ঠিকাদারদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ,টেন্ডারের গোপন তথ্য ফাঁস ও নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি এই সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।
শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তরে কর্মরত থাকাকালীন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজে তাঁর নিজস্ব সিন্ডিকেটভূক্ত পছন্দের ঠিকাদারদের কাছে শিডিউলের গোপন তথ্য ফাঁস করে লুটে নেন কোটিকোটি টাকা। আর পছন্দের ঠিকাদারদের দিয়ে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে মৃদুময় চাকমার বিরুদ্ধে।
অনুসন্ধানে পাহাড়ি এলাকায় নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ জমি, বিলাসবহুল বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনার মালিকানা রয়েছে বলে তথ্য মিলেছে।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কয়েকটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ও বাণিজ্যিক খাতে শতকোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে মৃদুময় চাকমার। মিস্টার (১৫%) ফিফটিন পার্সেন্ট কমিশন বাণিজ্যের গোড়াপত্তনকারী মৃদময় চাকমা বর্তমানে শীর্ষস্থানীয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও আমলাদের কাছে এখন ” আইডল” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সামান্য সরকারি চাকরি করে তাঁর এই অভাবনীয় উত্থানে পাহাড়ি জনপদের মানুষ হতবাক ও বিস্মিত।।
প্রায় সাড়ে তিন বছরে মৃদুময় চাকমা কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে বানিয়েছেন ঘুষ-দুর্নীতি, শিডিউল ফাঁস এবং ১৫% বাধ্যতামূলক কমিশন আদায় বাণিজ্যের অভয়ারণ্যে।
তাঁর এই বিশাল অবৈধ অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে দিতে এবং লুটপাট বাণিজ্যের শতকোটি টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
একইসাথে তাঁর হেফাজতে থাকা আন্তর্জাতিক ই-পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে আকষ্মিক দেশত্যাগ ঠেকাতে প্রশাসনিক গোপনীয় নজরদারী কামনা করেছেন দেশপ্রেমী জনসাধারণ।। ( চলবে)
(এরপর আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন,চোখ রাখুন আগামীকাল আমাদের প্রিন্ট অনলাইন ও ডিজিটাল ভার্সনে)