• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অবৈধভাবে মজুদ করা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ, গুদাম সিলগালা। জনসেবায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তাবৃন্দের দায়িত্ব ও কর্মপরিধি কুষ্টিয়া ওলামায়ে পরিষদ আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতায় আব্দুর রহমানের কৃতিত্ব  দর্শনায় রামাযুস আয়োজিত হাসান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের নক আউট পর্বের শেষ খেলা অনুষ্ঠিত  নদী যখন যুদ্ধের অস্ত্র: একাত্তরের নৌ-অভিযানের সামরিক পাঠ আদালত ও পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে দর্শনায় বৃদ্ধ চা দোকানির জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  দর্শনায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দর্শনা পৌর এলাকার ৫টি পূজা মন্দির পরিদর্শন করে আর্থিক অনুদান দিলেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান  দর্শনায় পৌর বিএনপির সভাপতি হিসাবে মাহবুবুল ইসলাম খোকনকে ঘিরে আলোচনা চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ৫৪টি পূজা মন্দিরে বিজেএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর আর্থিক অনুদান প্রদান 

কোন সিগারেটের দাম কতো?

আশরাফুজ্জামান বাবু,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা / ১০৯ Time View
Update : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে স্তরভেদে প্রতিটি সিগারেটের দাম ২০ পয়সা থেকে আড়াই টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে, দেশে খুচরা পয়সার প্রচলন না থাকায় প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি সিগারেটের দাম বাড়বে এক টাকা থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (১১ই জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন তিনি।

প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির সর্বোচ্চ সমন্বয় বিবেচনায় নিয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যমস্তর ৯২ টাকা, উচ্চস্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থাৎ সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় নিম্নস্তরে ৬০ টাকা থেকে ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরে ৮০ টাকা থেকে ১২ টাকা বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরে ১৪০ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরে ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

নিম্নস্তরের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে নেভি, রয়েল ও ডার্বি। এসব সিগারেটের প্রতিটির দাম ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলেও প্রকৃতপক্ষে বাজারে বাড়বে এক টাকা। এতে এসব সিগারেটের প্রতিটির দাম বেড়ে দাঁড়াবে ৭ টাকায়।

মধ্যস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যামেল ও লাকি। এর ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম বর্তমানে ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে প্রতিটির দাম এক টাকা ২০ পয়সা বাড়ছে। এতে প্রতিটি সিগারেটের দাম ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ার কথা। যদিও প্রকৃতপক্ষে বাজারে প্রতিটির দাম বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১০ টাকায়।

দেশে উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে গোল্ড লিফ। আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে উচ্চস্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম দাঁড়াচ্ছে ১৬ টাকা।

অতি উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনসন অ্যান্ড হেজেস। এর ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম বেড়ে দাঁড়াবে ২১ টাকায়।

জানতে চাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক সুশান্ত সিনহা বলেন, কর না বাড়িয়ে যেভাবে সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো বিশাল মুনাফা করার সুযোগ পাবে। দেশের মোট সিগারেটের ৬০ শতাংশই নিম্নস্তরের সিগারেট, যেখানে শলাকাপ্রতি মাত্র ২০ পয়সা দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশে তো খুচরা পয়সার চল নেই, তাই একটা সিগারেট ৬ টাকা ২০ পয়সা দাম হলেও ভোক্তাদের গুনতে হবে ৭ টাকা। অর্থাৎ প্রতি শলাকায় ৮০ পয়সা বাড়তি নিলে নিম্নস্তরের ৪ হাজার কোটি শলাকায় ভোক্তাদের পকেট থেকে যাবে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। তাই কোম্পানির মুনাফা লাভের এই প্রস্তাব মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা