• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অবৈধভাবে মজুদ করা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ, গুদাম সিলগালা। জনসেবায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তাবৃন্দের দায়িত্ব ও কর্মপরিধি কুষ্টিয়া ওলামায়ে পরিষদ আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতায় আব্দুর রহমানের কৃতিত্ব  দর্শনায় রামাযুস আয়োজিত হাসান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের নক আউট পর্বের শেষ খেলা অনুষ্ঠিত  নদী যখন যুদ্ধের অস্ত্র: একাত্তরের নৌ-অভিযানের সামরিক পাঠ আদালত ও পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে দর্শনায় বৃদ্ধ চা দোকানির জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  দর্শনায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দর্শনা পৌর এলাকার ৫টি পূজা মন্দির পরিদর্শন করে আর্থিক অনুদান দিলেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান  দর্শনায় পৌর বিএনপির সভাপতি হিসাবে মাহবুবুল ইসলাম খোকনকে ঘিরে আলোচনা চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ৫৪টি পূজা মন্দিরে বিজেএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর আর্থিক অনুদান প্রদান 

মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ভয়াবহ সিন্ডিকেট’! SR আ:কাদির নিজেও লুটছেন ছিটকিনি লাগিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা / ৮৬ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক,ঢাকা:

ঢাকা রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর অভ্যন্তরে মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন যাবৎ ভয়াবহ এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট গোটা অফিস নিয়ন্ত্রণ করছেন। এই সিন্ডিকেটে রয়েছে মৌখিক সুপারিশের উমেদার থেকে বহিরাগতরাও। শুধু দিনেই নয় এই সিন্ডিকেটের বহিরাগত ও নিয়োগবিহীন কথিত উমেদার ও এক্সট্রা মোহরাররা রাতের আঁধারেও অফিসের গোপনীয় শাখা রেকর্ড রুমেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, অথচ সাব রেজিস্ট্রার আ: কাদির,সহকারি হারিছদের এ বিষয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। সাব রেজিস্ট্রার ব্যস্ত টেবিল ক্যাশ আর কমিশন বাণিজ্যের টাকা ইউসুফ হাওলাদার প্রতি বুধবার রাতে তাঁর ফার্ম গেটের বাসায় পৌঁছাচ্ছে কি-না এসব নিয়েই তিনি থাকেন ভীষণ উত্তেজনায়।

মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ ও যুবলীগের পেতাত্মা আওলাদ হোসেন, এনামুল, আয়নাল, আকিব, ইউসুফদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে ভয়াবহ সিন্ডিকেট। এরা রীতিমতো দলিল ঠেকিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। একই সাথে ডাকাতি ও ৫ হাজার পিস ইয়াবা মামলায় তেজগাঁও থানার খাতাকলমে পলাতক আসামি আওলাদ ইতোমধ্যে তার যুবলীগ পরিচয় ফেলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির পিছনে ছোটাছুটি করা এক যুবদল নেতার ক্যাডার পরিচয় দিয়ে যুবদলের ক্ষমতার বলয় সৃষ্টি করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, উমেদার আওলাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অফিসে প্রভাব বিস্তার করছে। স্থানীয়দের দাবি, অতীতে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত জনপ্রতিনিধির ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে তেজগাঁওসহ বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আধিপত্য বিস্তার করেন। এসব অভিযোগের সমর্থনে বিভিন্ন পোস্টার ও ফেস্টুনে তার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

এদিকে আওলাদ ও আওলাদের ভাই আকিব, কোটিপতি নকলনবিশ এনামূল, কোটিপতি উমেদার আকিব, আয়নাল, ইউসুফ তারা একত্রিত হয়ে নিজেদের অপরাধ চাপা দিতে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও প্রতিবাদি দুজন স্টাফ আব্দুস সোবহান এবং বাবু হাওলাদারকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অনিয়ম তান্ত্রিক ভাবে অফিসে ঢোকার পথ বন্ধ করে রেখেছে। যদিও আকিব আয়নাল ইউসুফ এরা কোনো বৈধ স্টাফ নন।

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদাররা কোনো স্থায়ী সরকারি কর্মচারী নন। তারা সাধারণত মৌখিক বা অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করেন এবং দলিলপত্র আনা-নেওয়া, ফাইল ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে সহায়তা করেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ঘুষের মধ্যস্থতা এবং নির্ধারিত সরকারি ফির বাইরে নানান অজুহাত দেখিয়ে জোরপূর্বক অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এরা বৈধ স্টাফ না হয়েও রেকর্ড রুম সহ গোটা অফিসের চাবি নিজেদের কাছে রাখা এবং যখন তখন রেকর্ড রুমে ঢুকে কাগজপত্র ঘাঁটাঘাঁটি, দলিলের গোপনীয় তথ্য ফাঁস সহ এনআইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন, দলিলে ওভার রাইটিং এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে।

মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে খতিয়ান, পর্চা, খাজনা, মালিকানা বা জমির শ্রেণি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। অন্যদিকে অর্থ দিলে দলিল প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এই সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্য অবৈধ টাকা রোজগারের নেশায় এতটাই বেপরোয়া যে এরা নবাব সিরাজ উদ দৌলার প্রধান সেনাপতি সর্বকালের সেরা বেঈমান মির জাফর আলী খাঁর থেকেও একধাপ এগিয়ে আছে। যেমন ইফসুফ হাওলাদার ও তার এক বোনাইকে ওই অফিসে কাজ করার সুযোগ করে দেয় বাবু হাওলাদার, অন্যদিকে আয়নাল হক সহ আরো দুজনকে কে কাজে ঢোকায় আব্দুস সোবহান। তবে এদের কে ঢুকিয়ে কোনো লাভ তো হয়নি বরং দেড় বছর আগে হারিছ, আওলাদ, এনামূল এরা যখন বাবু হাওলাদার ও সোবহান কে ওই অফিস থেকে বিতাড়িত করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তখন এরা অবৈধ অর্থের নেশায় আব্দুস সোবহান ও বাবু হাওলাদারের পাশে না থেকে প্রকাশ্যে ইউসুফ,আয়নাল যোগদেয় আওলাদ এনামূল সিন্ডিকেটে। ঠিক যেমনটি নবাব সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মির জাফর, উর্মি চাঁদ, রায় দুর্লভ, ঘষেটি বেগম গং মসনদের নেশায় করেছিলো।

( এরপর আগামীকাল আরও পড়ুন আমাদের প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা