• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অবৈধভাবে মজুদ করা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ, গুদাম সিলগালা। জনসেবায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তাবৃন্দের দায়িত্ব ও কর্মপরিধি কুষ্টিয়া ওলামায়ে পরিষদ আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতায় আব্দুর রহমানের কৃতিত্ব  দর্শনায় রামাযুস আয়োজিত হাসান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের নক আউট পর্বের শেষ খেলা অনুষ্ঠিত  নদী যখন যুদ্ধের অস্ত্র: একাত্তরের নৌ-অভিযানের সামরিক পাঠ আদালত ও পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে দর্শনায় বৃদ্ধ চা দোকানির জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  দর্শনায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দর্শনা পৌর এলাকার ৫টি পূজা মন্দির পরিদর্শন করে আর্থিক অনুদান দিলেন আলহাজ্ব মশিউর রহমান  দর্শনায় পৌর বিএনপির সভাপতি হিসাবে মাহবুবুল ইসলাম খোকনকে ঘিরে আলোচনা চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ৫৪টি পূজা মন্দিরে বিজেএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর আর্থিক অনুদান প্রদান 

BRTA’র অঘোষিত সম্রাট AD জিয়াউর রহমান,গড়েছেন শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়

আজাদ হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার / ২৭০ Time View
Update : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

বিআরটিএ’র অঘোষিত সম্রাট তিনি। নাম জিয়াউর রহমান। ঢাকার দোহার থানার বানাঘাটা এলাকার নুরুল ইসলাম ও রাবেয়া বেগমের সন্তান। জয়পাড়া ডিগ্রি কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন ছাত্রলীগের সাবেক এই পেতাত্মা।

দরবেশ খ্যাত সালমান এফ রহমানের এলাকায় বাড়ি হওয়ার সুবাদে পতিত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁর হাম্বরা ভাব ছিলো চোখে পড়ার মতো। শেখ হাসিনার শাসনামলে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও দরবেশ বাবা সালমানের নাম ভাঙিয়ে কর্মস্থলগুলোতে লীগের প্রভাব বলয় সৃষ্টি করে গড়ে তুলেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেটের উপর ভর করে “0” “শূন্য পেলেও পাশ” “দুপুরে ফেল,সন্ধ্যায় পাশ” এই থিউরির জনক মোটরযান পরিদর্শক জিয়াউর রহমান বনে যান কোটি কোটি টাকার মালিক। নামে বেনামে রাজধানীতে একাধিক প্লট ফ্লাট ও একাধিক দামি গাড়ি সহ রয়েছে অবৈধ সম্পদের পাহাড়। অফিসিয়ালি তিনি স্থানীয় ও বর্তমান ঠিকানা দোহারের বানাঘাটা উল্লেখ করলে বসবাস করেন উত্তরায় বিলাসবহুল নিজ ফ্লাটে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জিয়াউর রহমান একাধিক বার গভীর রাতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ক্যাডারদের সাথে শলাপরামর্শে লিপ্ত হন বলে ইইজনশ্রুতি আছে। এছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তিনি কতিপয় লীগ ক্যাডারদের হাতে মোটা অংকের টাকা তুলে বলে শোনা যায়৷ এতসব দেশদ্রোহী কর্মকাণ্ড ও কর্মস্থলে লুটপাট বাণিজ্যের মাস্টার মাইন্ড জিয়ার ওএসডি হওয়ার সার্বিক প্রস্তুুতি যখন প্রায় সম্পন্ন, ঠিক তখনি ছক্কা হাকান ধুরন্দর জিয়া। গোপনসিঁড়ি ব্যবহার করে ব্রিফকেস ভর্তি টাকা আর উপঢৌকন দিয়ে বাগিয়ে নেন পদোন্নতি। রাতারাতি বনে যান সহকারী পরিচালক বা এডি।

এছাড়া নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য পরিচালনা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এডি জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে। মোটরযান পরিদর্শক থাকাকালীন সময় থেকেই সালমান এফ রহমান ও সেতু সড়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি বেশুমার নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য শুরু করেন।

জিয়াউর রহমান অর্ধযুগ ধরে রয়েছেন ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ এর জোয়ারসাহারাতে। দীর্ঘদিন একই অফিসে থাকায় জিয়ার প্রশ্রয়ে গড়ে উঠেছে শতাধিক শক্তিশালী দালালের এক বিশাল সিন্ডিকেট।

সম্প্রতি ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ এর আওতাধীন জোয়ারসাহারা থেকে মফস্বলে বদলি করা হয় এডি জিয়াকে। এখানেও সেই “সকালে ফেল সন্ধ্যায় পাশ” সিস্টেমে ” আজ বদলি কাল বাতিল” অর্থাৎ যেদিন বদলির আদেশনামা জিয়া হাতে সেই দিনই তড়িঘড়ি করে বিশাল দেনদরবার আর ২০ লাখ টাকা লগ্নি করে পরদিনই সেই বদলি আদেশ বাতিল করিয়ে আনেন। শুধু তাই নয় বিআরটিএর স্বঘোষিত সম্রাট জিয়া বহাল তবিয়তে থেকে যান জোয়ারসাহারাতেই।।

অভিযোগের বিষয়ে এডি জিয়াউর রহমান এর *******৪০৪০৪০ নাম্বারে কল না ঢোকায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।।

 

( এরপর আরো বিস্তারিত পড়ুন দ্বিতীয় পর্বে ) 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা